সময়ের সঙ্গে সঙ্গে জনবসতি বৃদ্ধি, গাছপালা নিধন, তালগাছের সংখ্যা কমে যাওয়া এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের পরিবর্তনের কারণে বাবুই পাখির নিরাপদ আবাসস্থল কমে গেছে। ফলে আগের মতো এখন আর চোখে পড়ে না বাবুই পাখির দল কিংবা তাদের দৃষ্টিনন্দন বাসা।
প্রবীণ মো. বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘কয়েক দশক আগেও গ্রামের বিভিন্ন এলাকায় অসংখ্য বাবুই পাখি দেখা যেত। তালগাছের ডালে ঝুলে থাকত শত শত বাসা। সকালে পাখির কলকাকলিতে মুখর হয়ে উঠতো চারপাশ। এখন সেই দৃশ্য যেন হারিয়ে যেতে বসেছে। মাঝে মধ্যে দু-একটি বাবুই পাখি দেখা গেলেও আগের মতো বড় ঝাঁক আর চোখে পড়ে না।’
প্রকৃতিপ্রেমীদের জানান, বাবুই পাখি শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই বাড়ায় না, এটি গ্রামীণ জীববৈচিত্র্যেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। পাখিটির আবাসস্থল রক্ষায় তাল গাছ লাগানো এবং নির্বিচারে গাছ কাটার প্রবণতা বন্ধ করা। পাশাপাশি পাখি শিকার ও তাদের বাসা নষ্ট করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, বিলুপ্তির পথে থাকা এই ‘নিপুণ কারিগর’ বাবুই পাখি ও তার আবাসস্থল রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও পরিবেশ সচেতন মানুষ উদ্যোগ নিলে আবারও ব্রাহ্মণপাড়ার গ্রামাঞ্চলে ফিরে আসবে বাবুইয়ের সেই চিরচেনা কিচিরমিচির শব্দ।