খোদ নবীজিও (সা.) সোম ও বৃহস্পতিবারে রোজা রাখতেন। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন- প্রতি সোমবার ও বৃহস্পতিবার (আল্লাহ তা’য়ালার দরবারে) আমল পেশ করা হয়। সুতরাং, আমার আমলসমূহ রোজা পালনরত অবস্থায় পেশ করা হোক, এটাই আমার পছন্দনীয়। (সুনান আত তিরমিজি, হাদিস: ৭৪৭)
এ ছাড়াও ফজিলতপূর্ণ মাস হওয়ায় রবিউল আউয়াল মাসের সম্মানে এ মাসে গাফিলতি না করে ফরজ ইবাদতে গুরুত্ব দেয়া যেতে পারে। পাশাপাশি নফল ইবাদত করা যেতে পারে। তবে বর্তমান সময়ে অনেকে ১২ রবিউল আউয়ালে নবীজির (সা.) জন্মদিনকে উৎসব হিসেবে পালন করেন, যা মোটেও উচিত নয়।
ইসলামিক স্কলার শায়খ আহমাদুল্লাহর ভাষ্য, শরিয়তে এর কোনো ভিত্তি নেই। এমনকি সাহাবায়ে কেরামরাও কখনো ১২ রবিউল আউয়ালকে খুশি কিংবা শোক দিবস হিসেবে পালন করেননি। সুতরাং, এই দিবসকে কেন্দ্র করে কোনোরূপ উদ্যাপন শরিয়তসম্মত নয়।
মনে রাখতে হবে, আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে এসেছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কেউ আমাদের শরিয়তে সংগত নয়- এমন কিছুর অনুপ্রবেশ ঘটালে, তা প্রত্যাখ্যান করা হবে। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ২৫১৭)